NA
NA
টেক রিভিউ

অরিজিনাল চার্জার কিনার ৬ টি টিপস

অরিজিনাল চার্জার কিনার ৬ টি টিপস 

 

যারা নিজেদের চার্জার হারিয়ে পেলে বা নষ্ট করে পেলে তাদের জন্যই চার্জার কিনতে হয়। আর এই চার্জার কিনতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় নাই এমন লোক খুব কমই রয়েছে। তাই আপনাদের অবশ্যই চার্জার কিনার আগে নিম্নের ৬ টি টিপস মেনে চলা উচিৎ। 

 

এই চার্জার কিনা দূরহ হয়ে উঠে কারন বাজারে অরিজিনাল থেকে নকল চার্জারই বেশি থাকে। তাই যখনই কোন দোকানে গিয়ে দোকানদারকে বলা হয় ভালোটা বা অরজিনালটা দিতে, কিন্তু কতক দোকানির কাছে অরজিনাল থাকেই না তাই তারা আপনাদের নানাভাবে বোকা বানাতে পারে।

 

তাই আপনার কি করা উচিত? তাছাড়াও আপনি আপনার মোবাইলের জন্য ফারপেক্ট চার্জার কিনছেন কিনা সেটি কিভাবে বুঝতে পারবেন? আর আসল আর নকলতো রয়েছেই, তাই এই সমস্ত জিনিস বা ব্যাপার আপনার জানা উচিত। 

এই সমস্ত কিছুই থাকছে আজ।

 

অরজিনাল মোবাইল কিনার সময় ৩ টি জিনিস ঠিক করে খেয়াল করবেন যেগুলো নিম্নে দেওয়া হল –

 

১। ভোল্ট (Volt)

 

বেশিরভাগ মোবাইলেরই ৫ ভোল্ট চার্জার হয়ে থাকে। তবে আপনি আপনার মোবাইলে কত ভোল্টের চার্জার ব্যবহার করেন সেটা জেনে নিতে হবে। তবে আপনাকে অবশ্যই ১০০ শতাংশ মিল রেখে কিনতে হবে। অর্থাৎ আগে ব্যবহার করা চার্জারটি যদি ৫ ভোল্টের হয়ে থাকে তবে অবশ্যই ৫ ভোল্টের চার্জার কিনতে হবে।

 

২। ওয়াট (Watt)

 

ওয়াট অতোটা নাও জরুরি হতে পারে। তবে আপনার অবশ্যই যত ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করতেন সেটি নিলেই ভালো হয়। তবে যদি ওয়াট বেশি কিনেন মোবাইল দ্রুত চার্জ হবে আবার ওয়াট কম হলে চার্জ স্লো হবে। তবে আগেই বলেছি এটি হালকা একটু কম বেশি হলে সমস্যা নাই।

 

৩। ফ্লাগ টাইপ (Plug Type)

 

আপনি চার্জার কিনার আগে অবশ্যই চার্জারে কয়টা ফিনের সেটা দেখে কিনা উচিত। অর্থাৎ আপনারা যদি দুই পিনের বা তিন পিনের চার্জার কিনেন এবং আপনার বাড়িতে ভিন্ন রকমের পিন রয়েছে তাই এটি মিল রেখে কেনা উচিত । অনেকে এটিকে তেমন পাত্তা দেয় না তবে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

 

এবার আসি নকল চার্জার চিনার ৬ টি উপায়, যেগুলো নিম্নে দেওয়া হল –

 

১। চার্জিং পোর্ট

 

  • চার্জিং পোর্ট যদি ঠিকমত চিনতে পারেন তাহলে আপনার আসল চার্জার চিনা অনেক সহজ হয়ে যাবে। নকল চার্জারের পোর্ট একটু নড়বড়ে বা খারপ দেখা যাবে। এই পোর্টটা দেখতে অনেক
  • এই চার্জিং পোর্টের ভিতরে যে একটি কাঠামো থাকে এটি সকল চার্জারের জন্য এক হয় না। আসল চার্জার গুলোয় সবদিক থেকে ঠিক ঠাক থাকে। কিন্তু নকল চার্জার গুলোতে দেখা যায় এই গুলো সমান হয় না।
  • আবার এই চার্জিং পোর্টের ভিতর হয় যে পিনটি থাকে সেটির দিকে লক্ষ রাখলেও বুঝতে পারবেন। আসল চার্জারে এই পিনটি ছোট থাকে অন্যদিকে নকল চার্জারে এই পিনটি বড় হয়ে থাকে আসল গুলোর তুলনায়।

 

২। ক্যাবল কানেকশন (Cable Connection) 

 

এই যে চার্জিং এর ক্যবলগুলো হয়ে থাকে এর বেশিরভাগই ইউএসবি হয়ে থাকে। এই ইউএসবি ক্যালের কানেকশনের যে মেইন পয়েন্ট থাকে সেটি আসলের তুলনায় অনেক খানি বড় থাকে। অর্থাৎ আসল চার্জার মোবাইলে পুরোপুরি ডুকে যায় সুন্দরভাবে। অন্যদিকে নকল চার্জারে এই পয়েন্টটি বড় হওয়ার৷ কারনে এটি পুরোপুরি আটকানো থাকে না।

 

৩. চার্জারের ওজন (Weight of charger) 

 

এটি দ্বারা আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার কিনতে যাওয়া চার্জারটি আসল না নকল। চার্জারের ওজন সাধারনত অনেক কম হয়ে থাকে অরিজিনালের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে নকল চার্জারের ওজন অনেক ভারি হয়ে থাকে। আপনি দুটি আসল ও নকল চার্জার হাতে নিলেই বুঝতে পারবেন পার্থক্যটা।

 

৪. ভালো ক্যাবেল (Good Cabel)

 

এটি আপনি হয়ত ইনস্টেন্টলি বুঝতে পারবেন না তবে চার্জার কিনার কিছুদিন পর বুঝতে পারবেন। কারন এই ক্যাবলগুলোও আপনার অরাজিনাল এবং নকল চার্জার খুঁজতে সাহায্য করতে পারবে।

নকল যে চার্জারের ক্যবলগুলো রয়েছে সেগুলোকে যদি মুছড়ানো বা টানা বা বাকা করা হয় তাহলে সেগুলোকে সোজা করে পেলা যাবে। অন্যদিকে যে সমস্ত ক্যাবলে মুছড়ানো বা টানা বা বাকা করা হলে সেজা করা যাবে না সেগুলো অরজিনাল চার্জার হবে।

 

৫। ক্যবলের পুরুত্ব (Thickness of Cable)

 

অরজিনাল ও নকল চার্জার চিনার সবচেয়ে সেরা উপায় হলো এটি। এর মাধ্যমে খুব সহজে বুঝে পেলতে পারেন কোনটি আসল আর কোনটি নকল।

নকল ক্যবলগুলো অনেক ছোট আকারে হয় অপরদিকে অরাজিনাল গুলো তুলনামূলক ভাবে একটু মোটা হয়ে থাকে।

 

৬। লগো (logo)

 

আমরা সবাই জানি ইউএসবি ক্যাবলগুলোতে একটি করে লগো থাকে। আর এই লগোটির দিকে ভালো করে খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন চার্জাটি আসল না নকল। অরজিনাল চার্জারের ক্ষেত্রে এই লগোটি একদম জায়গা বরাবর যতটুকু প্রয়োজন যাতে করে বুঝা যায় ততটাই রয়েছে। অন্যদিকে ফেইক বা নকল চার্জার গুলোতে দেখা যায় এই লগোটা কোন রকমে বসিয়ে দিয়েছে না হয় বড় করে মোটা করে পেলেছে।

 

উপরের সমস্ত কথা যদি মাথায় রেখে আপনি চার্জার কিনতে যান তাহলে মাত্র ৩০ সেকেন্ড এর মধ্যে আপরি বুঝতে পারেন চার্জারটা আসল নাকি নকল।

Related Articles

Back to top button